আনোয়ার হাবিবের পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণে সহায়তা করুন

Rehabilitation (পুনর্বাসন)যাচাই ও অনুমোদিতশুরু ১৪ ডিসে, ২০২৪ক্যাম্পেইন আইডি CT-100010
  • যাচাই ও অনুমোদিত

    প্রকাশের আগে helpNhelper টিম যাচাই করেছে

  • প্রতিটি টাকার হিসাব

    প্রতিটি দান এই ক্যাম্পেইনের হিসাবে লিপিবদ্ধ হয়

  • নিরাপদ পেমেন্ট

    SSLCommerz-এর মাধ্যমে সম্পন্ন

আনোয়ার হাবিব, চট্টগ্রামের দৌলতপুর ইউনিয়নের একজন সংগ্রামী মানুষ, তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ভঙ্গুর ঘরের কারণে তার পরিবার ঝড়-বৃষ্টি থেকে সুরক্ষিত নয়। ঘর নির্মাণের জন্য ৫ বান টিন প্রয়োজন, যার খরচ ২৮,০০০ টাকা। আপনার সহায়তায় আনোয়ারের পরিবার পাবে নিরাপদ আশ্রয়।

এই ক্যাম্পেইন সম্পর্কে

প্রত্যেক পরিবারেরই একটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল প্রয়োজন। কিন্তু চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি থানার অন্তর্গত দৌলতপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা মো. আনোয়ার হাবিবের জন্য এই মৌলিক চাহিদাটি পূরণ করা খুবই কঠিন। আনোয়ার তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার মা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য প্রতিদিন পরিশ্রম করেও তিনি ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। আনোয়ারের ঘরটি বর্তমানে অত্যন্ত ভঙ্গুর অবস্থায় রয়েছে। বৃষ্টি, ঝড়, এবং সূর্যের প্রখর তাপ থেকে পরিবারটি সুরক্ষিত নয়। তার ঘর পুনর্নির্মাণের জন্য ৫ বান টিন (বেডার টিন ২০ পিস {৮ ফুট} এবং চালের টিন ২০ পিস {১০ ফুট}) প্রয়োজন। কিন্তু এই ২৮,০০০/- টাকার ব্যবস্থা করা তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। আপনার অনুদানের মাধ্যমে আমরা আনোয়ার এবং তার পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করতে পারি। এই সহায়তা তাদের ঝড়-বৃষ্টি থেকে সুরক্ষা দেবে এবং পরিবারটিকে নিরাপত্তা ও মর্যাদা প্রদান করবে, যা তাদের প্রাপ্য। আমরা ২৮,০০০/- টাকা সংগ্রহ করার জন্য একটি উদ্যোগ নিয়েছি। এই অর্থ দিয়ে আনোয়ারের ঘর নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় টিন ও অন্যান্য সামগ্রী কেনা হবে। কোনো পরিমাণ অর্থই ছোট নয়—আপনার প্রতিটি অনুদান আমাদের লক্ষ্য পূরণে সাহায্য করবে এবং আনোয়ার ও তার পরিবারকে একটি নিরাপদ জীবন উপহার দেবে। চলুন, একসঙ্গে পরিবর্তন আনুন। আপনার সহায়তা শুধু একটি ঘর নয়, বরং একটি পরিবারকে নতুন করে বাঁচার আশা এনে দেবে। একটি ঘর, একটি পরিবার, একটি নতুন জীবনের সম্ভাবনা। আমরা একসাথে এই পরিবর্তন আনতে পারি।
সাহায্য চালিয়ে যান

আরও যেসব ক্যাম্পেইনে পাশে দাঁড়াতে পারেন

সব ক্যাম্পেইন দেখুন
Rehabilitation (পুনর্বাসন)

আপনার সহায়তায় ধ্বংসস্তূপ থেকে আবার একটি ঘর গড়ে উঠতে পারে

২০২৬ সালের ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে একজন মসজিদের ইমামের বসতঘরটি ভেঙে গিয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে তিনি তাঁর ৭ সদস্যের পরিবার নিয়ে অত্যন্ত মানবেতর ও অনিরাপদ পরিবেশে বসবাস করছেন। ঘরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় পরিবারটি নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।

লক্ষ্য ৳200,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন

আপনার সামান্য সহযোগিতা হয়ে উঠতে পারে একজন অসহায় মায়ের স্বাবলম্বী হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ..

স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানদের নিয়ে নতুন করে বাঁচার লড়াই একসময় ছোট্ট একটি সংসার ঘিরে ছিল তাঁর হাজারো স্বপ্ন। স্বামী-সন্তানদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে কাটবে জীবন—এটাই ছিল তাঁর প্রত্যাশা। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সবকিছু বদলে দেয়। স্বামীকে হারিয়ে তিনি হয়ে পড়েন অসহায়। সেই থেকে রাঙামাটিতে সন্তানদের নিয়ে শুরু হয় তাঁর একাকী জীবনসংগ্রাম। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনা বুকে চেপে প্রতিদিন তাঁকে লড়তে হয় জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো নীরবে সহ্য করেন তিনি। কখনো আত্মীয়স্বজনের সাহায্যে, কখনো পরিচিত মানুষের সহযোগিতায় কোনোভাবে চলে তাঁর সংসার। কিন্তু অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভর করে আর কত দিন? সন্তানদের ভবিষ্যৎ, তাদের পড়ালেখার খরচ এবং পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত তাঁকে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাতে হয়।

লক্ষ্য ৳300,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার আন্তরিক সহযোগিতা একজন শিক্ষককে নতুন আশার আলো দেখাতে পারে

একজন শিক্ষককে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা করুন চট্টগ্রামের ৪৬ বছর বয়সী ইংরেজি শিক্ষক মুনতাসির তারিক বর্তমানে বেশ কিছু জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি হেপাটাইটিস সি, আর্লি ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, পোর্টাল হাইপারটেনসিভ গ্যাস্ট্রোপ্যাথি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং পিত্তথলিতে একাধিক পাথরে আক্রান্ত।

লক্ষ্য ৳200,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন