পরিবর্তনের গল্প

বাস্তব মানুষ, বাস্তব ফলাফল — প্রতিটি প্রকল্পের আগে ও পরের ছবিতে দেখুন আপনার দান কীভাবে জীবন বদলে দিয়েছে।

13টি গল্প

পরে
সর্বশেষ গল্প
১৮ অক্টোবর, ২০২৬

ভাঙা ঘর থেকে নতুন স্বপ্ন: ছৈয়দুল ইসলামের জীবনে আশার আলো

ছৈয়দুল ইসলাম—একজন সাধারণ দিনমজুর। প্রতিদিনের পরিশ্রমে যাঁর সংসারে জ্বলত চুলা, যাঁর ঘাম ঝরানো উপার্জনে কোনোমতে চলত পরিবারের জীবন। বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বাঘমারার এক প্রত্যন্ত এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এই মানুষটির মাসিক আয় ছিল মাত্র ৮,০০০ টাকা। অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী, তবুও ছোট্ট একটি ঘরকে ঘিরেই ছিল তাঁর সব স্বপ্ন, সব সুখ আর বেঁচে থাকার সাহস। কিন্তু ২০২৬ সালের ভয়াবহ বন্যা তাঁর জীবনের সব হিসাব পাল্টে দেয়। প্রবল বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় তাঁর শেষ আশ্রয়টুকু। যে ঘরটিতে ছিল পরিবারের নিরাপদে মাথা গোঁজার ঠাঁই, যে ঘরটিকে আঁকড়ে ধরে তিনি প্রতিদিন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতেন, সেই ঘরটিই মুহূর্তের মধ্যে হারিয়ে যায়। একদিকে মাথার ওপর ছাদ নেই, অন্যদিকে বন্যার প্রভাবে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর উপার্জনের পথ। অসহায় ছৈয়দুল ইসলামের সামনে তখন একটাই প্রশ্ন—কোথায় যাবেন, কীভাবে বাঁচবেন, আর কীভাবেই বা আবার ঘুরে দাঁড়াবেন? অভাবের সঙ্গে লড়াই করা মানুষটির জীবনে নেমে আসে আরও গভীর অন্ধকার। প্রতিদিনের সংগ্রাম যেখানে ছিল তাঁর স্বাভাবিক জীবন, সেখানে বন্যা কেড়ে নেয় তাঁর বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও। চোখের সামনে ভেঙে পড়ে তাঁর সাজানো সংসার, আর অনিশ্চয়তায় ঢেকে যায় আগামীর প্রতিটি দিন। ঠিক সেই কঠিন সময়েই তিনি সহযোগিতার আশায় যোগাযোগ করেন helpNhelper-এর সঙ্গে। নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন, জানান তাঁর হারিয়ে যাওয়া আশ্রয়ের কথা। তাঁর আবেদনকে গুরুত্ব দিয়ে helpNhelper-এর স্বেচ্ছাসেবক দল সরেজমিনে তাঁর পরিস্থিতি পরিদর্শন করে এবং তাঁর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

আরও গল্প

৭ অক্টো, ২০২৬

নীলফামারীর ১০০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে নলকূপ বিতরণ.

নীলফামারীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী অনেক সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের প্রাপ্যতা এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। নিরাপদ পানির অভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয় এবং পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ পানীয় জলের টেকসই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, উন্নত জীবনমান এবং সুস্থ ও শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখা। helpNhelper — মানুষের প্রয়োজনের পাশে, আশার আলো জ্বালিয়ে এবং অর্থবহ সহযোগিতার মাধ্যমে কমিউনিটিগুলোকে সংযুক্ত করছে।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
১০ জানু, ২০২৬

জাল টাকায় প্রতারণার শিকার রইস চাচার মসজিদ সাজানোর জন্য ১ লক্ষ এবং ৪৭ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান।

নাটোরের সিংড়ার সেই সহজ-সরল কৃষক রইস উদ্দিন চাচাকে কি আমরা ভুলে গেছি? যে মানুষটি একদিন জাল টাকার নির্মম প্রতারণায় সর্বস্ব হারিয়ে কাঁদছিলেন—ক্যামেরার সামনে নয়, কাঁদছিলেন আল্লাহর সামনে। তাঁর সেই ভাঙা কান্না সেদিন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, ছুঁয়ে গিয়েছিল অগণিত হৃদয়। আজ আল্লাহ সেই চোখের জল মুছে দিয়েছেন। ওমরাহ হজ্ব আদায় করে রইস উদ্দিন চাচা ফিরে এসেছেন নতুন বিশ্বাস, নতুন আলো আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে। ওমরা থেকে ফিরে এসে তিনি নিজের জন্য কিছু চাননি। চাননি জমি, ঘর কিংবা অর্থ। তিনি শুধু চেয়েছেন নিজ এলাকার মসজিদটিকে টাইলস দিয়ে সুন্দর করে সাজাতে। যেন গ্রামের মানুষ আরও পরিচ্ছন্ন, শান্ত ও সম্মানজনক পরিবেশে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে পারে। এই বৃদ্ধ রইস চাচার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এসেছিলো আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Social Service২ নভে, ২০২৫

সূর্যের আলোয় জ্বলে উঠেছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের এতিমখানা

আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন ও হেল্প এন হেল্পার-এর উদ্যোগে বান্দরবানের প্রত্যন্ত অঞ্চল ধুইল্যা পাড়া, সরই ইউনিয়নের রফিক হান্নান হেফজ খানা ও এতিমখানা-তে স্থাপন করা হয়েছে সোলার প্যানেল। গরমে ক্লান্ত, বিদ্যুৎবিহীন এই পাহাড়ি অঞ্চলের সেই ছোট্ট এতিম ও মাসুম মুখগুলো এখন আলোয় মুখস্থ করছে পবিত্র কোরআনের আয়াত। তাদের মুখের হাসি, চোখের ঝিলিক; সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। আল্লাহর রহমতে, মানবতার এই আলো যেন ছড়িয়ে পড়ে আরও দূর পাহাড়ে, আরও অন্ধকার ঘরে। এই কোরআনের পাখিগুলোর জন্য দোয়া ও সহযোগিতায় থাকুন। যেখানে বিদ্যুতের আলো পৌঁছায় না, সেখানে আজ সূর্যের আলোয় জ্বলে উঠেছে এক টুকরো আশা...

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Treatment (চিকিৎসা)১ সেপ, ২০২৫

হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রুগীর জন্য ১ মাসের ওষুধ সহায়তা প্রদান।

হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রুগীর জন্য ১ মাসের ওষুধ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি গত বছর আকস্মিকভাবে হৃদরোগে (হার্ট অ্যাটাক) আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একজন গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করলেও, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতরভাবে অবনতি ঘটে এবং তিনি সম্পূর্ণভাবে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। এর ফলে পরিবারটি হঠাৎ করেই চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে যায়। চিকিৎসা ব্যয়, দৈনন্দিন খরচ এবং পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে তারা দিশেহারা হয়ে পড়ে। একমাত্র উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তার মধ্যে জীবনযাপন করতে থাকে।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

চব্বিশের ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ প্রকল্প

শুকনো খাবার বিতরণ ফেনীর দাগনভূঞা, পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও ফেনী সদর, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোট উপজেলা, নোয়াখালী ও চাঁদপুরের বিভিন্ন স্থান এবং চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও মীরসরাই উপজেলা শুকনো খাবারের মধ্যে ছিল মুড়ি, চিড়া, গুড়, বিস্কুট, চানাচুর। এছাড়াও পানি, ওরসস্যালাইন, মোমবাতি, দিয়াশলাই মিলে প্রতি পরিবারের জন্য প্রায় ৫-৬ কেজির প্যাকেজ বিতরণ করা হয়।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

বন্যা পরবর্তী ১০০ ঘর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন পরিবারের পুনর্বাসন নিয়ে শুভ উদ্ধোধন হয়ে গেলো Alhaj Shamsul Hoque Foundation এর শত ঘর নির্মাণ প্রকল্প। বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় ধর্ম উপদেষ্টা ড.আ.ফ.ম. খালিদ হোসাইন লক্ষীপুরের ভবানীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ মহতী প্রকল্প উদ্ধোধন করেন।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

বন্যার্ত মানুষের জন্য তোষক, বালিশসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচী

বন্যার্ত মানুষের জন্য লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ফেনীর দাগনভূঞা, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী, সোনাগাজীসহ বিবিধ স্থানের প্রায় ২ হাজার মানুষের জন্য Alhaj Shamsul Hoque Foundation এর ব্যবস্থাপনায় বিতরণ করা হয় প্রয়োজনীয় বিছানা সামগ্রী। সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে পূর্বপরিকল্পিত তালিকা অনুযায়ী প্রতি পরিবারের জন্য যাতে রয়েছে মানসম্মত তোষক, মাদুর, বালিশ, বেডশীট, গামছা ইত্যাদির বিশেষ প্যাকেজ।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Treatment (চিকিৎসা)১ সেপ, ২০২৫

ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প ২০২৪, ফেনী পরশুরাম

ফেনীর পরশুরাম উপজেলার পাইলট হাইস্কুলে Alhaj Shamsul Hoque Foundation-এর ব্যবস্থাপনায় এবং “Send a Little Hope, UK”-এর সহযোগিতায় একটি ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মানবিক উদ্যোগে অনেক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পান। যাদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্টিসমস্যায় ভুগছিলেন, তারা এই ক্যাম্পে এসে নতুন করে আলোর দেখা পান।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

শেরপুর কৃষক স্বাবলম্বী প্রকল্প

বন্যার পর নতুন স্বপ্নের বীজ! প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুধু ফসল নয়, কৃষকের স্বপ্নও ধ্বংস করে দেয়। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি—সাহস আর সহযোগিতার মাধ্যমে যেকোনো বিপর্যয় জয় করা সম্ভব। শেরপুরের ২১ জন বন্যাক্রান্ত কৃষকের মাঝে ধানের বীজ, সার, উন্নত মানের স্প্রে মেশিন ও কীটনাশক বিতরণের মাধ্যমে পাশে দাঁডিয়েছে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

সিলেট চা শ্রমিকদের মাঝে কম্বল বিতরণ কর্মসূচী

শীতের কনকনে হিমেল হাওয়ায় যখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে যায়, তখন সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়ে প্রান্তিক ও অসহায় মানুষগুলো। বিশেষ করে চা বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলো, যাদের কঠোর পরিশ্রমের জীবনযাত্রার মধ্যেও শীতের তীব্রতা যেন নতুন এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Treatment (চিকিৎসা)১ সেপ, ২০২৫

আমিন জুট্মিল চক্ষু ক্যাম্প ২০২৫

দিনব্যাপী মানবিক ও সেবামূলক এক মহতী উদ্যোগের অংশ হিসেবে আমিন জুট মিল এলাকায় একটি ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোডের আমিন জুট মিলের উত্তর গেট সংলগ্ন SARM স্ট্রাইকার জোনে আয়োজিত এই ক্যাম্পে স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। এই আয়োজনে মোট ২৫৯ জন রোগী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। সেবার মধ্যে ছিল চোখের সম্পূর্ণ পরীক্ষা, অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরামর্শ ও চিকিৎসা, প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রি চশমা ও ওষুধ প্রদান। পাশাপাশি, জটিল রোগীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা হিসেবে নির্বাচিত রোগীদের বিনামূল্যে ছানি (ক্যাটারাক্ট) অপারেশন এবং পাঁচজন রোগীর নেত্রনালী অপারেশনের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Social Service২২ ফেব, ২০২৫

আপনার সহায়তায় গড়ে উঠেছে পঙ্গু, প্রতিবন্ধি রাজনের বাড়ি!

ভাড়ায় অটো চালিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে তোলা রাজনের স্বপ্ন ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় এক নিমিষেই তলিয়ে যায়। লক্ষ্মীপুরের পিয়ারাপুর উপজেলার ওয়াপদা খালের ভাঙনের কারণে রাজনসহ আরও অনেক পরিবার তাদের ভিটে-মাটি ও ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম অসহায় অবস্থায় পড়ে যান। জীবনের সব সঞ্চয় ও স্বপ্ন হারিয়ে তারা হয়ে পড়েন আশ্রয়হীন ও দিশেহারা।

পুরো গল্পটি পড়ুন