আপনার সহায়তায় গড়ে উঠেছে পঙ্গু, প্রতিবন্ধি রাজনের বাড়ি!

Social Serviceসম্পন্ন ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
পরে
আগে
আগেপরে
তুলনা করতে টানুন

ভাড়ায় অটো চালিয়ে ধীরে ধীরে গড়ে তোলা রাজনের স্বপ্ন ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় এক নিমিষেই তলিয়ে যায়। লক্ষ্মীপুরের পিয়ারাপুর উপজেলার ওয়াপদা খালের ভাঙনের কারণে রাজনসহ আরও অনেক পরিবার তাদের ভিটে-মাটি ও ঘরবাড়ি হারিয়ে চরম অসহায় অবস্থায় পড়ে যান। জীবনের সব সঞ্চয় ও স্বপ্ন হারিয়ে তারা হয়ে পড়েন আশ্রয়হীন ও দিশেহারা।

গল্প

এই কঠিন বাস্তবতায় তাদের পাশে দাঁড়ায় মানবিক সংস্থা Alhaj Shamsul Hoque Foundation, North American Humanitarian Aid and Relief (NAHAR)-এর আর্থিক সহযোগিতায়। সম্মিলিত এই মানবিক উদ্যোগে পুনরায় নতুন করে গড়ে ওঠে রাজনের একটি নিরাপদ আশ্রয়। রাজনের মতো একজন পঙ্গু প্রতিবন্ধী মানুষের জন্য এই ঘর শুধু একটি স্থাপনা নয়, বরং এটি ফিরে পাওয়ার গল্প—হারিয়ে যাওয়া স্বপ্নকে আবার বুকে জড়িয়ে ধরার এক নতুন শুরু। দীর্ঘ সংগ্রাম ও কষ্টের পর আজ তার জীবনে ফিরে এসেছে স্থিতি, নিরাপত্তা এবং একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস নেওয়ার সুযোগ। এই উদ্যোগ শুধু একটি ঘর নির্মাণ নয়, বরং মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত—যেখানে বিপদের সময় মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আবারও স্বপ্ন গড়ে তোলে, নতুন করে বাঁচার সাহস জাগিয়ে তোলে।
সাহায্য চালিয়ে যান

পরবর্তী পরিবারের পাশে দাঁড়ান

এমন গল্পের শুরু হয় একটি দান দিয়ে। এই পরিবারগুলো তাদের পালার অপেক্ষায়।

সব ক্যাম্পেইন দেখুন
Social Service

বহুল কাঙ্কিত স্বপ্নের মসজিদ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসুন

আপনার ক্ষুদ্র সহযোগীতায় হতে পারে একটি স্বপ্নের মসজিদ নির্মানের পাথেয়..... পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া, দক্ষিণ হরিদেবপুর—একটি প্রত্যন্ত এলাকা। প্রতিদিন ভোর হলে আজানের শব্দে ঘুম ভাঙে মানুষের। কিন্তু যে মসজিদে তারা নামাজ পড়েন, সেই টিনশেড মসজিদটি আজ জীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। দেয়ালে ফাটল ধরেছে, ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ—সেটিও উদ্বেগের বিষয়।

৳18

<1%
লক্ষ্য ৳1,500,0001
দান করুন
Social Service

অসহায় মা আর কতদিন বৃষ্টিতে ভিজে নামাজ পড়বেন?

এই মায়ের ঘরটি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় আছে— বৃষ্টি হলেই পানি ঢুকে যায়, ঘরের ছাদ ও দেয়াল ভেঙে পড়ার মতো হয়ে গেছে। এমন অবস্থায় তিনি সঠিকভাবে নামাজ আদায় করতেও পারছেন না, নিরাপদে রাত কাটানো তো দূরের কথা।

৳10

<1%
লক্ষ্য ৳20,0001
দান করুন
Social Service

প্রতিটি হাসপাতালে বিনামূল্যে "বিশুদ্ধ পানির প্ল্যান্ট" স্থাপনের স্বপ্ন!

আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন (ASH Foundation) চট্টগ্রাম মেডিকেলে রোগী ও স্বজনদের জন্য ব্যতিক্রমী এক মানবিক উদ্যোগ চালু করেছে। ফাউন্ডেশনের স্থাপিত সুপেয় পানির প্ল্যান্ট থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী ও তাদের স্বজনরা বিশুদ্ধ পানি পান করছেন।

লক্ষ্য ৳1,900,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
আমাদের কাজ

পরিবর্তনের আরও গল্প

সব গল্প দেখুন
পরে
Social Service২ নভে, ২০২৫

সূর্যের আলোয় জ্বলে উঠেছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের এতিমখানা

আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন ও হেল্প এন হেল্পার-এর উদ্যোগে বান্দরবানের প্রত্যন্ত অঞ্চল ধুইল্যা পাড়া, সরই ইউনিয়নের রফিক হান্নান হেফজ খানা ও এতিমখানা-তে স্থাপন করা হয়েছে সোলার প্যানেল। গরমে ক্লান্ত, বিদ্যুৎবিহীন এই পাহাড়ি অঞ্চলের সেই ছোট্ট এতিম ও মাসুম মুখগুলো এখন আলোয় মুখস্থ করছে পবিত্র কোরআনের আয়াত। তাদের মুখের হাসি, চোখের ঝিলিক; সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। আল্লাহর রহমতে, মানবতার এই আলো যেন ছড়িয়ে পড়ে আরও দূর পাহাড়ে, আরও অন্ধকার ঘরে। এই কোরআনের পাখিগুলোর জন্য দোয়া ও সহযোগিতায় থাকুন। যেখানে বিদ্যুতের আলো পৌঁছায় না, সেখানে আজ সূর্যের আলোয় জ্বলে উঠেছে এক টুকরো আশা...

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
১৮ অক্টো, ২০২৬

ভাঙা ঘর থেকে নতুন স্বপ্ন: ছৈয়দুল ইসলামের জীবনে আশার আলো

ছৈয়দুল ইসলাম—একজন সাধারণ দিনমজুর। প্রতিদিনের পরিশ্রমে যাঁর সংসারে জ্বলত চুলা, যাঁর ঘাম ঝরানো উপার্জনে কোনোমতে চলত পরিবারের জীবন। বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বাঘমারার এক প্রত্যন্ত এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এই মানুষটির মাসিক আয় ছিল মাত্র ৮,০০০ টাকা। অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী, তবুও ছোট্ট একটি ঘরকে ঘিরেই ছিল তাঁর সব স্বপ্ন, সব সুখ আর বেঁচে থাকার সাহস। কিন্তু ২০২৬ সালের ভয়াবহ বন্যা তাঁর জীবনের সব হিসাব পাল্টে দেয়। প্রবল বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় তাঁর শেষ আশ্রয়টুকু। যে ঘরটিতে ছিল পরিবারের নিরাপদে মাথা গোঁজার ঠাঁই, যে ঘরটিকে আঁকড়ে ধরে তিনি প্রতিদিন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতেন, সেই ঘরটিই মুহূর্তের মধ্যে হারিয়ে যায়। একদিকে মাথার ওপর ছাদ নেই, অন্যদিকে বন্যার প্রভাবে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর উপার্জনের পথ। অসহায় ছৈয়দুল ইসলামের সামনে তখন একটাই প্রশ্ন—কোথায় যাবেন, কীভাবে বাঁচবেন, আর কীভাবেই বা আবার ঘুরে দাঁড়াবেন? অভাবের সঙ্গে লড়াই করা মানুষটির জীবনে নেমে আসে আরও গভীর অন্ধকার। প্রতিদিনের সংগ্রাম যেখানে ছিল তাঁর স্বাভাবিক জীবন, সেখানে বন্যা কেড়ে নেয় তাঁর বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও। চোখের সামনে ভেঙে পড়ে তাঁর সাজানো সংসার, আর অনিশ্চয়তায় ঢেকে যায় আগামীর প্রতিটি দিন। ঠিক সেই কঠিন সময়েই তিনি সহযোগিতার আশায় যোগাযোগ করেন helpNhelper-এর সঙ্গে। নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন, জানান তাঁর হারিয়ে যাওয়া আশ্রয়ের কথা। তাঁর আবেদনকে গুরুত্ব দিয়ে helpNhelper-এর স্বেচ্ছাসেবক দল সরেজমিনে তাঁর পরিস্থিতি পরিদর্শন করে এবং তাঁর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

পুরো গল্পটি পড়ুন
৭ অক্টো, ২০২৬

নীলফামারীর ১০০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে নলকূপ বিতরণ.

নীলফামারীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী অনেক সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের প্রাপ্যতা এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। নিরাপদ পানির অভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয় এবং পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ পানীয় জলের টেকসই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, উন্নত জীবনমান এবং সুস্থ ও শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখা। helpNhelper — মানুষের প্রয়োজনের পাশে, আশার আলো জ্বালিয়ে এবং অর্থবহ সহযোগিতার মাধ্যমে কমিউনিটিগুলোকে সংযুক্ত করছে।

পুরো গল্পটি পড়ুন