নীলফামারীর ১০০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে নলকূপ বিতরণ.

সম্পন্ন ৭ অক্টোবর, ২০২৬

নীলফামারীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী অনেক সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের প্রাপ্যতা এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। নিরাপদ পানির অভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয় এবং পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ পানীয় জলের টেকসই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, উন্নত জীবনমান এবং সুস্থ ও শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখা। helpNhelper — মানুষের প্রয়োজনের পাশে, আশার আলো জ্বালিয়ে এবং অর্থবহ সহযোগিতার মাধ্যমে কমিউনিটিগুলোকে সংযুক্ত করছে।

গল্প

দীর্ঘদিন ধরে নীলফামারীর বিভিন্ন প্রত্যন্ত ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকার অনেক মানুষ নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের তীব্র সংকটে ভুগছিলেন। বিশুদ্ধ পানির সহজলভ্যতার অভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবন কঠিন হয়ে পড়েছিল এবং তারা স্বাস্থ্যবিধিজনিত ও পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিতে ছিলেন। এই সংকটের মুখে স্থানীয় কমিউনিটির সদস্যরা তাদের পানীয় জলের সমস্যা সমাধানে সহায়তার জন্য helpNhelper-এর কাছে আবেদন জানান। তাদের জরুরি প্রয়োজনের বিষয়টি উপলব্ধি করে helpNhelper সেই আহ্বানে সাড়া দেয় এবং একটি টেকসই সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য helpNhelper বিভিন্ন উৎস থেকে অনুদান ও সহযোগিতা সংগ্রহ করে এবং প্রয়োজনীয় পরিবারগুলোর জন্য ১০০ টি নলকূপের ব্যবস্থা করে। এর মাধ্যমে ১০০ টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবার নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের একটি নির্ভরযোগ্য উৎসের সুবিধা লাভ করে। এই উদ্যোগটি প্রমাণ করে যে সম্মিলিত সহযোগিতা কীভাবে মানুষের একটি মৌলিক প্রয়োজনকে দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক পরিবর্তনে রূপ দিতে পারে। এর মাধ্যমে পরিবারগুলো আরও ভালো স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে, বিভিন্ন রোগ থেকে নিজেদের সুরক্ষিত রাখতে এবং আরও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন করতে সক্ষম হচ্ছে। helpNhelper — মানুষ যখন সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়, আমরা তখন আশার হাত বাড়িয়ে দিই। একটু সাহায্য, বদলে দিতে পারে অনেক কিছু।
সাহায্য চালিয়ে যান

পরবর্তী পরিবারের পাশে দাঁড়ান

এমন গল্পের শুরু হয় একটি দান দিয়ে। এই পরিবারগুলো তাদের পালার অপেক্ষায়।

সব ক্যাম্পেইন দেখুন

আপনার সামান্য সহযোগিতা হয়ে উঠতে পারে একজন অসহায় মায়ের স্বাবলম্বী হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ..

স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানদের নিয়ে নতুন করে বাঁচার লড়াই একসময় ছোট্ট একটি সংসার ঘিরে ছিল তাঁর হাজারো স্বপ্ন। স্বামী-সন্তানদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে কাটবে জীবন—এটাই ছিল তাঁর প্রত্যাশা। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সবকিছু বদলে দেয়। স্বামীকে হারিয়ে তিনি হয়ে পড়েন অসহায়। সেই থেকে রাঙামাটিতে সন্তানদের নিয়ে শুরু হয় তাঁর একাকী জীবনসংগ্রাম। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনা বুকে চেপে প্রতিদিন তাঁকে লড়তে হয় জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো নীরবে সহ্য করেন তিনি। কখনো আত্মীয়স্বজনের সাহায্যে, কখনো পরিচিত মানুষের সহযোগিতায় কোনোভাবে চলে তাঁর সংসার। কিন্তু অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভর করে আর কত দিন? সন্তানদের ভবিষ্যৎ, তাদের পড়ালেখার খরচ এবং পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত তাঁকে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাতে হয়।

লক্ষ্য ৳300,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার আন্তরিক সহযোগিতা একজন শিক্ষককে নতুন আশার আলো দেখাতে পারে

একজন শিক্ষককে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা করুন চট্টগ্রামের ৪৬ বছর বয়সী ইংরেজি শিক্ষক মুনতাসির তারিক বর্তমানে বেশ কিছু জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি হেপাটাইটিস সি, আর্লি ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, পোর্টাল হাইপারটেনসিভ গ্যাস্ট্রোপ্যাথি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং পিত্তথলিতে একাধিক পাথরে আক্রান্ত।

লক্ষ্য ৳200,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার একটু সহায়তায় হয়তো আবারও সন্তানের কাছে ফিরে আসবেন একজন মা

৪৯ বছর বয়সী নাজমা বেগম দীর্ঘ দুই বছর ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। হঠাৎ তাঁর পেটে ও পায়ে পানি জমতে শুরু করলে পরিবার তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে আসছে পরিবার এছাড়াও, তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাঁর দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি

৳500

<1%
লক্ষ্য ৳120,0001
দান করুন
আমাদের কাজ

পরিবর্তনের আরও গল্প

সব গল্প দেখুন
পরে
১৮ অক্টো, ২০২৬

ভাঙা ঘর থেকে নতুন স্বপ্ন: ছৈয়দুল ইসলামের জীবনে আশার আলো

ছৈয়দুল ইসলাম—একজন সাধারণ দিনমজুর। প্রতিদিনের পরিশ্রমে যাঁর সংসারে জ্বলত চুলা, যাঁর ঘাম ঝরানো উপার্জনে কোনোমতে চলত পরিবারের জীবন। বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বাঘমারার এক প্রত্যন্ত এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এই মানুষটির মাসিক আয় ছিল মাত্র ৮,০০০ টাকা। অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী, তবুও ছোট্ট একটি ঘরকে ঘিরেই ছিল তাঁর সব স্বপ্ন, সব সুখ আর বেঁচে থাকার সাহস। কিন্তু ২০২৬ সালের ভয়াবহ বন্যা তাঁর জীবনের সব হিসাব পাল্টে দেয়। প্রবল বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় তাঁর শেষ আশ্রয়টুকু। যে ঘরটিতে ছিল পরিবারের নিরাপদে মাথা গোঁজার ঠাঁই, যে ঘরটিকে আঁকড়ে ধরে তিনি প্রতিদিন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতেন, সেই ঘরটিই মুহূর্তের মধ্যে হারিয়ে যায়। একদিকে মাথার ওপর ছাদ নেই, অন্যদিকে বন্যার প্রভাবে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর উপার্জনের পথ। অসহায় ছৈয়দুল ইসলামের সামনে তখন একটাই প্রশ্ন—কোথায় যাবেন, কীভাবে বাঁচবেন, আর কীভাবেই বা আবার ঘুরে দাঁড়াবেন? অভাবের সঙ্গে লড়াই করা মানুষটির জীবনে নেমে আসে আরও গভীর অন্ধকার। প্রতিদিনের সংগ্রাম যেখানে ছিল তাঁর স্বাভাবিক জীবন, সেখানে বন্যা কেড়ে নেয় তাঁর বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও। চোখের সামনে ভেঙে পড়ে তাঁর সাজানো সংসার, আর অনিশ্চয়তায় ঢেকে যায় আগামীর প্রতিটি দিন। ঠিক সেই কঠিন সময়েই তিনি সহযোগিতার আশায় যোগাযোগ করেন helpNhelper-এর সঙ্গে। নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন, জানান তাঁর হারিয়ে যাওয়া আশ্রয়ের কথা। তাঁর আবেদনকে গুরুত্ব দিয়ে helpNhelper-এর স্বেচ্ছাসেবক দল সরেজমিনে তাঁর পরিস্থিতি পরিদর্শন করে এবং তাঁর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
১০ জানু, ২০২৬

জাল টাকায় প্রতারণার শিকার রইস চাচার মসজিদ সাজানোর জন্য ১ লক্ষ এবং ৪৭ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান।

নাটোরের সিংড়ার সেই সহজ-সরল কৃষক রইস উদ্দিন চাচাকে কি আমরা ভুলে গেছি? যে মানুষটি একদিন জাল টাকার নির্মম প্রতারণায় সর্বস্ব হারিয়ে কাঁদছিলেন—ক্যামেরার সামনে নয়, কাঁদছিলেন আল্লাহর সামনে। তাঁর সেই ভাঙা কান্না সেদিন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, ছুঁয়ে গিয়েছিল অগণিত হৃদয়। আজ আল্লাহ সেই চোখের জল মুছে দিয়েছেন। ওমরাহ হজ্ব আদায় করে রইস উদ্দিন চাচা ফিরে এসেছেন নতুন বিশ্বাস, নতুন আলো আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে। ওমরা থেকে ফিরে এসে তিনি নিজের জন্য কিছু চাননি। চাননি জমি, ঘর কিংবা অর্থ। তিনি শুধু চেয়েছেন নিজ এলাকার মসজিদটিকে টাইলস দিয়ে সুন্দর করে সাজাতে। যেন গ্রামের মানুষ আরও পরিচ্ছন্ন, শান্ত ও সম্মানজনক পরিবেশে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে পারে। এই বৃদ্ধ রইস চাচার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এসেছিলো আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Social Service২ নভে, ২০২৫

সূর্যের আলোয় জ্বলে উঠেছে প্রত্যন্ত অঞ্চলের এতিমখানা

আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন ও হেল্প এন হেল্পার-এর উদ্যোগে বান্দরবানের প্রত্যন্ত অঞ্চল ধুইল্যা পাড়া, সরই ইউনিয়নের রফিক হান্নান হেফজ খানা ও এতিমখানা-তে স্থাপন করা হয়েছে সোলার প্যানেল। গরমে ক্লান্ত, বিদ্যুৎবিহীন এই পাহাড়ি অঞ্চলের সেই ছোট্ট এতিম ও মাসুম মুখগুলো এখন আলোয় মুখস্থ করছে পবিত্র কোরআনের আয়াত। তাদের মুখের হাসি, চোখের ঝিলিক; সেটিই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার। আল্লাহর রহমতে, মানবতার এই আলো যেন ছড়িয়ে পড়ে আরও দূর পাহাড়ে, আরও অন্ধকার ঘরে। এই কোরআনের পাখিগুলোর জন্য দোয়া ও সহযোগিতায় থাকুন। যেখানে বিদ্যুতের আলো পৌঁছায় না, সেখানে আজ সূর্যের আলোয় জ্বলে উঠেছে এক টুকরো আশা...

পুরো গল্পটি পড়ুন