আশার আলো ছড়াচ্ছি একসাথে, প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায়, আজই যুক্ত হই ...

সাহায্যপ্রার্থী ও দাতাদের জন্য ১০০% বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম।

এ পর্যন্ত সংগৃহীত
৳0
দান
0
ক্যাম্পেইন
0
স্বেচ্ছাসেবক
0
জরুরি ক্যাম্পেইন

যে ক্যাম্পেইনগুলোর এখনই আপনাকে প্রয়োজন, সেগুলোতে দান করুন

সব ক্যাম্পেইন দেখুন
Treatment (চিকিৎসা)

একজন অসহায় স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত বোনের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন!

৩১ বছর বয়সী হাসিনা স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছেন, কিন্তু চিকিৎসার খরচ আর চালাতে পারছেন না। তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে ২,০০,০০০ টাকা তুলতে আমাদের সাথে যোগ দিন।

৳51,500

26%
লক্ষ্য ৳200,000153
দান করুন

আপনার সামান্য সহযোগিতা হয়ে উঠতে পারে একজন অসহায় মায়ের স্বাবলম্বী হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ..

স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানদের নিয়ে নতুন করে বাঁচার লড়াই একসময় ছোট্ট একটি সংসার ঘিরে ছিল তাঁর হাজারো স্বপ্ন। স্বামী-সন্তানদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে কাটবে জীবন—এটাই ছিল তাঁর প্রত্যাশা। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সবকিছু বদলে দেয়। স্বামীকে হারিয়ে তিনি হয়ে পড়েন অসহায়। সেই থেকে রাঙামাটিতে সন্তানদের নিয়ে শুরু হয় তাঁর একাকী জীবনসংগ্রাম। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনা বুকে চেপে প্রতিদিন তাঁকে লড়তে হয় জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো নীরবে সহ্য করেন তিনি। কখনো আত্মীয়স্বজনের সাহায্যে, কখনো পরিচিত মানুষের সহযোগিতায় কোনোভাবে চলে তাঁর সংসার। কিন্তু অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভর করে আর কত দিন? সন্তানদের ভবিষ্যৎ, তাদের পড়ালেখার খরচ এবং পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত তাঁকে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাতে হয়।

লক্ষ্য ৳300,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার আন্তরিক সহযোগিতা একজন শিক্ষককে নতুন আশার আলো দেখাতে পারে

একজন শিক্ষককে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা করুন চট্টগ্রামের ৪৬ বছর বয়সী ইংরেজি শিক্ষক মুনতাসির তারিক বর্তমানে বেশ কিছু জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি হেপাটাইটিস সি, আর্লি ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, পোর্টাল হাইপারটেনসিভ গ্যাস্ট্রোপ্যাথি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং পিত্তথলিতে একাধিক পাথরে আক্রান্ত।

৳200

<1%
লক্ষ্য ৳200,0001
দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার একটু সহায়তায় হয়তো আবারও সন্তানের কাছে ফিরে আসবেন একজন মা

৪৯ বছর বয়সী নাজমা বেগম দীর্ঘ দুই বছর ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। হঠাৎ তাঁর পেটে ও পায়ে পানি জমতে শুরু করলে পরিবার তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে আসছে পরিবার এছাড়াও, তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাঁর দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি

৳1,000

1%
লক্ষ্য ৳120,0002
দান করুন
যেভাবে কাজ করে

আপনার দান থেকে বাস্তব প্রভাব

helpNhelper সারা বাংলাদেশে দাতা, স্বেচ্ছাসেবক ও অভাবী মানুষদের সংযুক্ত করে — প্রতিটি দান ক্যাম্পেইন থেকে প্রভাব পর্যন্ত ট্র্যাক করা হয়।

  1. যাচাইকৃত ক্যাম্পেইন বেছে নিন

    দানের জন্য খোলার আগে প্রতিটি কেস আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা সরেজমিনে যাচাই করেন।

  2. নিরাপদে দান করুন

    মাত্র কয়েকটি ট্যাপে নিরাপদ পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধ করুন — যেকোনো পরিমাণই সাহায্য করে।

  3. প্রভাব দেখুন

    আপনার দান কোন পরিবারের কাছে পৌঁছায় তা ট্র্যাক করা হয়, এবং ফলাফল সাফল্যের গল্প হিসেবে প্রকাশ করা হয়।

প্রভাব

সাফল্যের গল্প

সব সাফল্যের গল্প দেখুন
১৮ অক্টো, ২০২৬

ভাঙা ঘর থেকে নতুন স্বপ্ন: ছৈয়দুল ইসলামের জীবনে আশার আলো

ছৈয়দুল ইসলাম—একজন সাধারণ দিনমজুর। প্রতিদিনের পরিশ্রমে যাঁর সংসারে জ্বলত চুলা, যাঁর ঘাম ঝরানো উপার্জনে কোনোমতে চলত পরিবারের জীবন। বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বাঘমারার এক প্রত্যন্ত এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এই মানুষটির মাসিক আয় ছিল মাত্র ৮,০০০ টাকা। অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী, তবুও ছোট্ট একটি ঘরকে ঘিরেই ছিল তাঁর সব স্বপ্ন, সব সুখ আর বেঁচে থাকার সাহস। কিন্তু ২০২৬ সালের ভয়াবহ বন্যা তাঁর জীবনের সব হিসাব পাল্টে দেয়। প্রবল বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় তাঁর শেষ আশ্রয়টুকু। যে ঘরটিতে ছিল পরিবারের নিরাপদে মাথা গোঁজার ঠাঁই, যে ঘরটিকে আঁকড়ে ধরে তিনি প্রতিদিন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতেন, সেই ঘরটিই মুহূর্তের মধ্যে হারিয়ে যায়। একদিকে মাথার ওপর ছাদ নেই, অন্যদিকে বন্যার প্রভাবে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর উপার্জনের পথ। অসহায় ছৈয়দুল ইসলামের সামনে তখন একটাই প্রশ্ন—কোথায় যাবেন, কীভাবে বাঁচবেন, আর কীভাবেই বা আবার ঘুরে দাঁড়াবেন? অভাবের সঙ্গে লড়াই করা মানুষটির জীবনে নেমে আসে আরও গভীর অন্ধকার। প্রতিদিনের সংগ্রাম যেখানে ছিল তাঁর স্বাভাবিক জীবন, সেখানে বন্যা কেড়ে নেয় তাঁর বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও। চোখের সামনে ভেঙে পড়ে তাঁর সাজানো সংসার, আর অনিশ্চয়তায় ঢেকে যায় আগামীর প্রতিটি দিন। ঠিক সেই কঠিন সময়েই তিনি সহযোগিতার আশায় যোগাযোগ করেন helpNhelper-এর সঙ্গে। নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন, জানান তাঁর হারিয়ে যাওয়া আশ্রয়ের কথা। তাঁর আবেদনকে গুরুত্ব দিয়ে helpNhelper-এর স্বেচ্ছাসেবক দল সরেজমিনে তাঁর পরিস্থিতি পরিদর্শন করে এবং তাঁর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

গল্পটি পড়ুন
৭ অক্টো, ২০২৬

নীলফামারীর ১০০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের মধ্যে নলকূপ বিতরণ.

নীলফামারীর প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী অনেক সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের জন্য নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের প্রাপ্যতা এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। নিরাপদ পানির অভাবে তাদের দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয় এবং পানিবাহিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সুবিধাবঞ্চিত পরিবারগুলোর জন্য নিরাপদ পানীয় জলের টেকসই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। একইসঙ্গে এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, উন্নত জীবনমান এবং সুস্থ ও শক্তিশালী কমিউনিটি গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখা। helpNhelper — মানুষের প্রয়োজনের পাশে, আশার আলো জ্বালিয়ে এবং অর্থবহ সহযোগিতার মাধ্যমে কমিউনিটিগুলোকে সংযুক্ত করছে।

গল্পটি পড়ুন
১০ জানু, ২০২৬

জাল টাকায় প্রতারণার শিকার রইস চাচার মসজিদ সাজানোর জন্য ১ লক্ষ এবং ৪৭ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান।

নাটোরের সিংড়ার সেই সহজ-সরল কৃষক রইস উদ্দিন চাচাকে কি আমরা ভুলে গেছি? যে মানুষটি একদিন জাল টাকার নির্মম প্রতারণায় সর্বস্ব হারিয়ে কাঁদছিলেন—ক্যামেরার সামনে নয়, কাঁদছিলেন আল্লাহর সামনে। তাঁর সেই ভাঙা কান্না সেদিন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, ছুঁয়ে গিয়েছিল অগণিত হৃদয়। আজ আল্লাহ সেই চোখের জল মুছে দিয়েছেন। ওমরাহ হজ্ব আদায় করে রইস উদ্দিন চাচা ফিরে এসেছেন নতুন বিশ্বাস, নতুন আলো আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে। ওমরা থেকে ফিরে এসে তিনি নিজের জন্য কিছু চাননি। চাননি জমি, ঘর কিংবা অর্থ। তিনি শুধু চেয়েছেন নিজ এলাকার মসজিদটিকে টাইলস দিয়ে সুন্দর করে সাজাতে। যেন গ্রামের মানুষ আরও পরিচ্ছন্ন, শান্ত ও সম্মানজনক পরিবেশে আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে পারে। এই বৃদ্ধ রইস চাচার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে এসেছিলো আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন।

গল্পটি পড়ুন
দ্রুত দান

এক মিনিটেরও কম সময়ে দান করুন

আপনার দান আমাদের সাধারণ তহবিলে জমা হয়, আর আমরা তা পাঠাই যেখানে প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। কোনো অ্যাকাউন্ট লাগবে না।

  • যেখানে প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি, সেখানে যায়
  • অনলাইনে নিরাপদে পরিশোধ করুন
  • প্রতিটি টাকার প্রভাব ট্র্যাক করা হয়

আপনার দান

৳1,000

সাধারণ তহবিলে যাবে

৳

নিরাপদ পেমেন্ট — সম্পন্ন করতে আপনাকে পেমেন্ট পেজে নিয়ে যাওয়া হবে।

অ্যাপ ডাউনলোড করুন

helpNhelper এখন আপনার ফোনে

যেকোনো জায়গা থেকে দান করুন, স্বেচ্ছাসেবক হোন বা সাহায্য চান। App Store ও Google Play-তে বিনামূল্যে।

App Store থেকে ডাউনলোড করুনGoogle Play থেকে ডাউনলোড করুন
helpNhelper অ্যাপের একটি স্ক্রিন
লিডারবোর্ড

শীর্ষ স্বেচ্ছাসেবক

স্বেচ্ছাসেবক হোন
#1

ajmain mahtab

50পয়েন্ট

একসাথে পথচলা

আমাদের অংশীদার ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান

যেসব প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করি।