চব্বিশের ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ প্রকল্প

Relief (ত্রাণ)সম্পন্ন ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পরে
আগে
আগেপরে
তুলনা করতে টানুন

শুকনো খাবার বিতরণ ফেনীর দাগনভূঞা, পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও ফেনী সদর, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোট উপজেলা, নোয়াখালী ও চাঁদপুরের বিভিন্ন স্থান এবং চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও মীরসরাই উপজেলা শুকনো খাবারের মধ্যে ছিল মুড়ি, চিড়া, গুড়, বিস্কুট, চানাচুর। এছাড়াও পানি, ওরসস্যালাইন, মোমবাতি, দিয়াশলাই মিলে প্রতি পরিবারের জন্য প্রায় ৫-৬ কেজির প্যাকেজ বিতরণ করা হয়।

গল্প

ফেনীর দাগনভূঞা, পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও ফেনী সদর, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোট উপজেলায় চিড়া মুড়ি, চিনি, বিস্কিট, ওরস্যালাইন আর ২ লিটারের পানির বোতল দিয়ে শুকনো খাবারের একাধিক প্যাকেজ বিতরণ করা হয়েছে দুইশত বন্যার্ত পরিবারের মাঝে।
সাহায্য চালিয়ে যান

পরবর্তী পরিবারের পাশে দাঁড়ান

এমন গল্পের শুরু হয় একটি দান দিয়ে। এই পরিবারগুলো তাদের পালার অপেক্ষায়।

সব ক্যাম্পেইন দেখুন

আপনার সামান্য সহযোগিতা হয়ে উঠতে পারে একজন অসহায় মায়ের স্বাবলম্বী হওয়ার প্রথম পদক্ষেপ..

স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তানদের নিয়ে নতুন করে বাঁচার লড়াই একসময় ছোট্ট একটি সংসার ঘিরে ছিল তাঁর হাজারো স্বপ্ন। স্বামী-সন্তানদের নিয়ে সুখে-শান্তিতে কাটবে জীবন—এটাই ছিল তাঁর প্রত্যাশা। কিন্তু একটি সড়ক দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সবকিছু বদলে দেয়। স্বামীকে হারিয়ে তিনি হয়ে পড়েন অসহায়। সেই থেকে রাঙামাটিতে সন্তানদের নিয়ে শুরু হয় তাঁর একাকী জীবনসংগ্রাম। প্রিয় মানুষটিকে হারানোর বেদনা বুকে চেপে প্রতিদিন তাঁকে লড়তে হয় জীবনের কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে। সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে নিজের কষ্টগুলো নীরবে সহ্য করেন তিনি। কখনো আত্মীয়স্বজনের সাহায্যে, কখনো পরিচিত মানুষের সহযোগিতায় কোনোভাবে চলে তাঁর সংসার। কিন্তু অন্যের সাহায্যের ওপর নির্ভর করে আর কত দিন? সন্তানদের ভবিষ্যৎ, তাদের পড়ালেখার খরচ এবং পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত তাঁকে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাতে হয়।

লক্ষ্য ৳300,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার আন্তরিক সহযোগিতা একজন শিক্ষককে নতুন আশার আলো দেখাতে পারে

একজন শিক্ষককে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা করুন চট্টগ্রামের ৪৬ বছর বয়সী ইংরেজি শিক্ষক মুনতাসির তারিক বর্তমানে বেশ কিছু জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি হেপাটাইটিস সি, আর্লি ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, পোর্টাল হাইপারটেনসিভ গ্যাস্ট্রোপ্যাথি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং পিত্তথলিতে একাধিক পাথরে আক্রান্ত।

লক্ষ্য ৳200,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার একটু সহায়তায় হয়তো আবারও সন্তানের কাছে ফিরে আসবেন একজন মা

৪৯ বছর বয়সী নাজমা বেগম দীর্ঘ দুই বছর ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। হঠাৎ তাঁর পেটে ও পায়ে পানি জমতে শুরু করলে পরিবার তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে আসছে পরিবার এছাড়াও, তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাঁর দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি

৳500

<1%
লক্ষ্য ৳120,0001
দান করুন
আমাদের কাজ

পরিবর্তনের আরও গল্প

সব গল্প দেখুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

বন্যা পরবর্তী ১০০ ঘর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন পরিবারের পুনর্বাসন নিয়ে শুভ উদ্ধোধন হয়ে গেলো Alhaj Shamsul Hoque Foundation এর শত ঘর নির্মাণ প্রকল্প। বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় ধর্ম উপদেষ্টা ড.আ.ফ.ম. খালিদ হোসাইন লক্ষীপুরের ভবানীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ মহতী প্রকল্প উদ্ধোধন করেন।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

বন্যার্ত মানুষের জন্য তোষক, বালিশসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচী

বন্যার্ত মানুষের জন্য লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ফেনীর দাগনভূঞা, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী, সোনাগাজীসহ বিবিধ স্থানের প্রায় ২ হাজার মানুষের জন্য Alhaj Shamsul Hoque Foundation এর ব্যবস্থাপনায় বিতরণ করা হয় প্রয়োজনীয় বিছানা সামগ্রী। সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে পূর্বপরিকল্পিত তালিকা অনুযায়ী প্রতি পরিবারের জন্য যাতে রয়েছে মানসম্মত তোষক, মাদুর, বালিশ, বেডশীট, গামছা ইত্যাদির বিশেষ প্যাকেজ।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

শেরপুর কৃষক স্বাবলম্বী প্রকল্প

বন্যার পর নতুন স্বপ্নের বীজ! প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুধু ফসল নয়, কৃষকের স্বপ্নও ধ্বংস করে দেয়। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি—সাহস আর সহযোগিতার মাধ্যমে যেকোনো বিপর্যয় জয় করা সম্ভব। শেরপুরের ২১ জন বন্যাক্রান্ত কৃষকের মাঝে ধানের বীজ, সার, উন্নত মানের স্প্রে মেশিন ও কীটনাশক বিতরণের মাধ্যমে পাশে দাঁডিয়েছে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন।

পুরো গল্পটি পড়ুন