আমিন জুট্মিল চক্ষু ক্যাম্প ২০২৫

Treatment (চিকিৎসা)সম্পন্ন ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পরে
আগে
আগেপরে
তুলনা করতে টানুন

দিনব্যাপী মানবিক ও সেবামূলক এক মহতী উদ্যোগের অংশ হিসেবে আমিন জুট মিল এলাকায় একটি ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোডের আমিন জুট মিলের উত্তর গেট সংলগ্ন SARM স্ট্রাইকার জোনে আয়োজিত এই ক্যাম্পে স্থানীয় ও আশপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। এই আয়োজনে মোট ২৫৯ জন রোগী সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। সেবার মধ্যে ছিল চোখের সম্পূর্ণ পরীক্ষা, অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে পরামর্শ ও চিকিৎসা, প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্রি চশমা ও ওষুধ প্রদান। পাশাপাশি, জটিল রোগীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা হিসেবে নির্বাচিত রোগীদের বিনামূল্যে ছানি (ক্যাটারাক্ট) অপারেশন এবং পাঁচজন রোগীর নেত্রনালী অপারেশনের সুযোগ নিশ্চিত করা হয়।

গল্প

এদের মধ্যে ৪০ জন রোগীকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ছানি অপারেশনের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে, যা তাদের জীবনে নতুন করে আলো ফিরে পাওয়ার এক বড় সুযোগ তৈরি করেছে। এই ক্যাম্প সম্পর্কে আয়োজক Alhaj Shamsul Hoque Foundation–এর চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মুহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে সাধারণ মানুষের জন্য এ ধরনের বিনামূল্যের চক্ষু ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। দেশের বহু মানুষ এখনো চোখের নানা সমস্যায় ভুগছেন, কিন্তু অর্থাভাবে চিকিৎসা নিতে পারেন না। সেই বাস্তবতাকে সামনে রেখে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান, এই ক্যাম্পে চোখের দৃষ্টি পরীক্ষা, ছানি রোগী নির্বাচন, কম্পিউটারভিত্তিক ভিশন কারেকশন এবং পূর্ণাঙ্গ চক্ষু চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। পাঁচজন অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সার্বিক চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই মানবিক উদ্যোগের অর্থায়নে ছিল আলহাজ্ব মুহাম্মদ শফি এন্ড ফ্যামিলি ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট রশিদ আহমদ বলেন, দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা থেকেই এই আয়োজন করা হয়েছে। গ্রামের সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। ভবিষ্যতেও এই সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে, ইনশাআল্লাহ। এই আয়োজন শুধু একটি চিকিৎসা ক্যাম্প নয়, বরং অসহায় মানুষের জীবনে আলো ফিরিয়ে আনার এক মানবিক প্রয়াস—যা সমাজে সহমর্মিতা, দায়িত্ববোধ এবং মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
সাহায্য চালিয়ে যান

পরবর্তী পরিবারের পাশে দাঁড়ান

এমন গল্পের শুরু হয় একটি দান দিয়ে। এই পরিবারগুলো তাদের পালার অপেক্ষায়।

সব ক্যাম্পেইন দেখুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার আন্তরিক সহযোগিতা একজন শিক্ষককে নতুন আশার আলো দেখাতে পারে

একজন শিক্ষককে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা করুন চট্টগ্রামের ৪৬ বছর বয়সী ইংরেজি শিক্ষক মুনতাসির তারিক বর্তমানে বেশ কিছু জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি হেপাটাইটিস সি, আর্লি ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, পোর্টাল হাইপারটেনসিভ গ্যাস্ট্রোপ্যাথি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং পিত্তথলিতে একাধিক পাথরে আক্রান্ত।

লক্ষ্য ৳200,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার একটু সহায়তায় হয়তো আবারও সন্তানের কাছে ফিরে আসবেন একজন মা

৪৯ বছর বয়সী নাজমা বেগম দীর্ঘ দুই বছর ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। হঠাৎ তাঁর পেটে ও পায়ে পানি জমতে শুরু করলে পরিবার তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে আসছে পরিবার এছাড়াও, তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাঁর দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি

৳500

<1%
লক্ষ্য ৳120,0001
দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

‘‘একটু সহানুভূতি, একটু সহযোগিতা—বাঁচতে পারেন একজন মা’’

নূর জাহান, ৬২ বছর বয়সী একজন মা, আজ ক্যান্সারের সঙ্গে জীবন-মৃত্যুর কঠিন লড়াই করছেন। তাঁর শরীরে ম্যালিগন্যান্ট ওভারিয়ান টিউমার এবং লিভারে ক্যান্সার ছড়িয়ে পড়েছে। এই কঠিন সময়ে প্রতিটি দিনই তাঁর এবং তাঁর পরিবারের জন্য এক নতুন সংগ্রাম। মাকে সুস্থ করে তোলার আশায় তাঁর পরিবার ইতোমধ্যে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা চিকিৎসার পেছনে খরচ করেছে। নিজেদের সাধ্যমতো সবকিছু করার পর এখন তারা আর্থিকভাবে অসহায় হয়ে পড়েছেন।

৳500

<1%
লক্ষ্য ৳1,000,0001
দান করুন
আমাদের কাজ

পরিবর্তনের আরও গল্প

সব গল্প দেখুন
পরে
Treatment (চিকিৎসা)১ সেপ, ২০২৫

হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রুগীর জন্য ১ মাসের ওষুধ সহায়তা প্রদান।

হৃদরোগে আক্রান্ত অসহায় রুগীর জন্য ১ মাসের ওষুধ সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি গত বছর আকস্মিকভাবে হৃদরোগে (হার্ট অ্যাটাক) আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি একজন গার্মেন্টস শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করলেও, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থা গুরুতরভাবে অবনতি ঘটে এবং তিনি সম্পূর্ণভাবে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন। এর ফলে পরিবারটি হঠাৎ করেই চরম অর্থনৈতিক সংকটে পড়ে যায়। চিকিৎসা ব্যয়, দৈনন্দিন খরচ এবং পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে তারা দিশেহারা হয়ে পড়ে। একমাত্র উপার্জনের পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তার মধ্যে জীবনযাপন করতে থাকে।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Treatment (চিকিৎসা)১ সেপ, ২০২৫

ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা ক্যাম্প ২০২৪, ফেনী পরশুরাম

ফেনীর পরশুরাম উপজেলার পাইলট হাইস্কুলে Alhaj Shamsul Hoque Foundation-এর ব্যবস্থাপনায় এবং “Send a Little Hope, UK”-এর সহযোগিতায় একটি ফ্রি চক্ষু ক্যাম্প সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই মানবিক উদ্যোগে অনেক অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষ বিনামূল্যে চোখের চিকিৎসা ও পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পান। যাদের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্টিসমস্যায় ভুগছিলেন, তারা এই ক্যাম্পে এসে নতুন করে আলোর দেখা পান।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
১৮ অক্টো, ২০২৬

ভাঙা ঘর থেকে নতুন স্বপ্ন: ছৈয়দুল ইসলামের জীবনে আশার আলো

ছৈয়দুল ইসলাম—একজন সাধারণ দিনমজুর। প্রতিদিনের পরিশ্রমে যাঁর সংসারে জ্বলত চুলা, যাঁর ঘাম ঝরানো উপার্জনে কোনোমতে চলত পরিবারের জীবন। বাঁশখালী উপজেলার কাথারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বাঘমারার এক প্রত্যন্ত এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এই মানুষটির মাসিক আয় ছিল মাত্র ৮,০০০ টাকা। অভাব ছিল নিত্যসঙ্গী, তবুও ছোট্ট একটি ঘরকে ঘিরেই ছিল তাঁর সব স্বপ্ন, সব সুখ আর বেঁচে থাকার সাহস। কিন্তু ২০২৬ সালের ভয়াবহ বন্যা তাঁর জীবনের সব হিসাব পাল্টে দেয়। প্রবল বন্যার পানিতে তলিয়ে যায় তাঁর শেষ আশ্রয়টুকু। যে ঘরটিতে ছিল পরিবারের নিরাপদে মাথা গোঁজার ঠাঁই, যে ঘরটিকে আঁকড়ে ধরে তিনি প্রতিদিন নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখতেন, সেই ঘরটিই মুহূর্তের মধ্যে হারিয়ে যায়। একদিকে মাথার ওপর ছাদ নেই, অন্যদিকে বন্যার প্রভাবে বন্ধ হয়ে যায় তাঁর উপার্জনের পথ। অসহায় ছৈয়দুল ইসলামের সামনে তখন একটাই প্রশ্ন—কোথায় যাবেন, কীভাবে বাঁচবেন, আর কীভাবেই বা আবার ঘুরে দাঁড়াবেন? অভাবের সঙ্গে লড়াই করা মানুষটির জীবনে নেমে আসে আরও গভীর অন্ধকার। প্রতিদিনের সংগ্রাম যেখানে ছিল তাঁর স্বাভাবিক জীবন, সেখানে বন্যা কেড়ে নেয় তাঁর বেঁচে থাকার শেষ অবলম্বনটুকুও। চোখের সামনে ভেঙে পড়ে তাঁর সাজানো সংসার, আর অনিশ্চয়তায় ঢেকে যায় আগামীর প্রতিটি দিন। ঠিক সেই কঠিন সময়েই তিনি সহযোগিতার আশায় যোগাযোগ করেন helpNhelper-এর সঙ্গে। নিজের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরেন, জানান তাঁর হারিয়ে যাওয়া আশ্রয়ের কথা। তাঁর আবেদনকে গুরুত্ব দিয়ে helpNhelper-এর স্বেচ্ছাসেবক দল সরেজমিনে তাঁর পরিস্থিতি পরিদর্শন করে এবং তাঁর পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করে।

পুরো গল্পটি পড়ুন