সিলেট চা শ্রমিকদের মাঝে কম্বল বিতরণ কর্মসূচী

Relief (ত্রাণ)সম্পন্ন ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
পরে
আগে
আগেপরে
তুলনা করতে টানুন

শীতের কনকনে হিমেল হাওয়ায় যখন চারপাশ নিস্তব্ধ হয়ে যায়, তখন সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়ে প্রান্তিক ও অসহায় মানুষগুলো। বিশেষ করে চা বাগানের শ্রমিক পরিবারগুলো, যাদের কঠোর পরিশ্রমের জীবনযাত্রার মধ্যেও শীতের তীব্রতা যেন নতুন এক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

গল্প

এই শীতে তাদের পাশে উষ্ণতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে Alhaj Shamsul Hoque Foundation। মানবিক এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফেনী ও জাফলং চা বাগানের শ্রমিকদের মাঝে শীতবস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। প্রায় ৩৫০টি পরিবার এই সহায়তার আওতায় শীতের কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘব করতে সক্ষম হয়েছে। শীতবস্ত্র হাতে পেয়ে অনেক শ্রমিক পরিবারে ফিরে এসেছে স্বস্তির অনুভূতি। যে শীত একসময় ছিল কষ্টের, আজ সেই শীতই যেন হয়ে উঠেছে একটু উষ্ণতার গল্প। এই সামান্য সহায়তা তাদের জীবনে এনে দিয়েছে নতুন আশা, নিরাপত্তা ও মানবিকতার স্পর্শ। এই উদ্যোগ শুধু শীতবস্ত্র বিতরণ নয়, বরং মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত—যেখানে ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও দায়িত্ববোধ মিলেমিশে তৈরি করেছে মানবতার এক উষ্ণ চিত্র।
সাহায্য চালিয়ে যান

পরবর্তী পরিবারের পাশে দাঁড়ান

এমন গল্পের শুরু হয় একটি দান দিয়ে। এই পরিবারগুলো তাদের পালার অপেক্ষায়।

সব ক্যাম্পেইন দেখুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার আন্তরিক সহযোগিতা একজন শিক্ষককে নতুন আশার আলো দেখাতে পারে

একজন শিক্ষককে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা করুন চট্টগ্রামের ৪৬ বছর বয়সী ইংরেজি শিক্ষক মুনতাসির তারিক বর্তমানে বেশ কিছু জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি হেপাটাইটিস সি, আর্লি ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, পোর্টাল হাইপারটেনসিভ গ্যাস্ট্রোপ্যাথি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং পিত্তথলিতে একাধিক পাথরে আক্রান্ত।

লক্ষ্য ৳200,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার একটু সহায়তায় হয়তো আবারও সন্তানের কাছে ফিরে আসবেন একজন মা

৪৯ বছর বয়সী নাজমা বেগম দীর্ঘ দুই বছর ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। হঠাৎ তাঁর পেটে ও পায়ে পানি জমতে শুরু করলে পরিবার তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে আসছে পরিবার এছাড়াও, তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাঁর দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি

লক্ষ্য ৳120,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Social Service

বহুল কাঙ্কিত স্বপ্নের মসজিদ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসুন

আপনার ক্ষুদ্র সহযোগীতায় হতে পারে একটি স্বপ্নের মসজিদ নির্মানের পাথেয়..... পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া, দক্ষিণ হরিদেবপুর—একটি প্রত্যন্ত এলাকা। প্রতিদিন ভোর হলে আজানের শব্দে ঘুম ভাঙে মানুষের। কিন্তু যে মসজিদে তারা নামাজ পড়েন, সেই টিনশেড মসজিদটি আজ জীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। দেয়ালে ফাটল ধরেছে, ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ—সেটিও উদ্বেগের বিষয়।

৳18

<1%
লক্ষ্য ৳1,500,0001
দান করুন
আমাদের কাজ

পরিবর্তনের আরও গল্প

সব গল্প দেখুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

চব্বিশের ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ প্রকল্প

শুকনো খাবার বিতরণ ফেনীর দাগনভূঞা, পরশুরাম, ফুলগাজী, ছাগলনাইয়া ও ফেনী সদর, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ ও নাঙ্গলকোট উপজেলা, নোয়াখালী ও চাঁদপুরের বিভিন্ন স্থান এবং চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও মীরসরাই উপজেলা শুকনো খাবারের মধ্যে ছিল মুড়ি, চিড়া, গুড়, বিস্কুট, চানাচুর। এছাড়াও পানি, ওরসস্যালাইন, মোমবাতি, দিয়াশলাই মিলে প্রতি পরিবারের জন্য প্রায় ৫-৬ কেজির প্যাকেজ বিতরণ করা হয়।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

বন্যা পরবর্তী ১০০ ঘর নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত গৃহহীন পরিবারের পুনর্বাসন নিয়ে শুভ উদ্ধোধন হয়ে গেলো Alhaj Shamsul Hoque Foundation এর শত ঘর নির্মাণ প্রকল্প। বাংলাদেশ সরকার এর মাননীয় ধর্ম উপদেষ্টা ড.আ.ফ.ম. খালিদ হোসাইন লক্ষীপুরের ভবানীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে এ মহতী প্রকল্প উদ্ধোধন করেন।

পুরো গল্পটি পড়ুন
পরে
Relief (ত্রাণ)১ সেপ, ২০২৫

বন্যার্ত মানুষের জন্য তোষক, বালিশসামগ্রী বিতরণ কর্মসূচী

বন্যার্ত মানুষের জন্য লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ফেনীর দাগনভূঞা, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া, ফুলগাজী, সোনাগাজীসহ বিবিধ স্থানের প্রায় ২ হাজার মানুষের জন্য Alhaj Shamsul Hoque Foundation এর ব্যবস্থাপনায় বিতরণ করা হয় প্রয়োজনীয় বিছানা সামগ্রী। সরেজমিনে যাচাই-বাছাই করে পূর্বপরিকল্পিত তালিকা অনুযায়ী প্রতি পরিবারের জন্য যাতে রয়েছে মানসম্মত তোষক, মাদুর, বালিশ, বেডশীট, গামছা ইত্যাদির বিশেষ প্যাকেজ।

পুরো গল্পটি পড়ুন