শেরপুর কৃষক স্বাবলম্বী প্রজেক্ট

Relief (ত্রাণ)সম্পন্নশুরু ২৪ জুন, ২০২৫ক্যাম্পেইন আইডি CT-100023
  • যাচাই ও অনুমোদিত

    প্রকাশের আগে helpNhelper টিম যাচাই করেছে

  • প্রতিটি টাকার হিসাব

    প্রতিটি দান এই ক্যাম্পেইনের হিসাবে লিপিবদ্ধ হয়

  • নিরাপদ পেমেন্ট

    SSLCommerz-এর মাধ্যমে সম্পন্ন

"বন্যার পর নতুন স্বপ্নের বীজ"

এই ক্যাম্পেইন সম্পর্কে

প্রাকৃতিক দুর্যোগ শুধু ফসল নয়, কৃষকের স্বপ্নও ধ্বংস করে দেয়। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি—সাহস আর সহযোগিতার মাধ্যমে যেকোনো বিপর্যয় জয় করা সম্ভব। শেরপুরের ২১ জন বন্যাক্রান্ত কৃষকের মাঝে ধানের বীজ, সার, উন্নত মানের স্প্রে মেশিন ও কীটনাশক বিতরণের মাধ্যমে পাশে দাঁডিয়েছে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন। এই সহায়তা তাদের জীবনে আবার সবুজের ছোঁয়া এনে দেবে, মাঠে হাসবে সোনালি ধানের শীষ, আর পরিবারের মুখে ফুটবে হাসি।
সাহায্য চালিয়ে যান

আরও যেসব ক্যাম্পেইনে পাশে দাঁড়াতে পারেন

সব ক্যাম্পেইন দেখুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার আন্তরিক সহযোগিতা একজন শিক্ষককে নতুন আশার আলো দেখাতে পারে

একজন শিক্ষককে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা করুন চট্টগ্রামের ৪৬ বছর বয়সী ইংরেজি শিক্ষক মুনতাসির তারিক বর্তমানে বেশ কিছু জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি হেপাটাইটিস সি, আর্লি ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, পোর্টাল হাইপারটেনসিভ গ্যাস্ট্রোপ্যাথি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং পিত্তথলিতে একাধিক পাথরে আক্রান্ত।

লক্ষ্য ৳200,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার একটু সহায়তায় হয়তো আবারও সন্তানের কাছে ফিরে আসবেন একজন মা

৪৯ বছর বয়সী নাজমা বেগম দীর্ঘ দুই বছর ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। হঠাৎ তাঁর পেটে ও পায়ে পানি জমতে শুরু করলে পরিবার তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে আসছে পরিবার এছাড়াও, তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাঁর দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি

লক্ষ্য ৳120,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Social Service

বহুল কাঙ্কিত স্বপ্নের মসজিদ বাস্তবায়নে এগিয়ে আসুন

আপনার ক্ষুদ্র সহযোগীতায় হতে পারে একটি স্বপ্নের মসজিদ নির্মানের পাথেয়..... পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া, দক্ষিণ হরিদেবপুর—একটি প্রত্যন্ত এলাকা। প্রতিদিন ভোর হলে আজানের শব্দে ঘুম ভাঙে মানুষের। কিন্তু যে মসজিদে তারা নামাজ পড়েন, সেই টিনশেড মসজিদটি আজ জীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। দেয়ালে ফাটল ধরেছে, ভবিষ্যতে এটি ব্যবহার করা কতটা নিরাপদ—সেটিও উদ্বেগের বিষয়।

৳18

<1%
লক্ষ্য ৳1,500,0001
দান করুন