আপনার সহায়তায় ধ্বংসস্তূপ থেকে আবার একটি ঘর গড়ে উঠতে পারে

Rehabilitation (পুনর্বাসন)যাচাই ও অনুমোদিতশুরু ১২ সেপ, ২০২৬ক্যাম্পেইন আইডি CT-100047
  • যাচাই ও অনুমোদিত

    প্রকাশের আগে helpNhelper টিম যাচাই করেছে

  • সরেজমিন যাচাই চলছে

    1 জন স্বেচ্ছাসেবক নিযুক্ত

  • নিরাপদ পেমেন্ট

    SSLCommerz-এর মাধ্যমে সম্পন্ন

২০২৬ সালের ভয়াবহ বন্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে একজন মসজিদের ইমামের বসতঘরটি ভেঙে গিয়ে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে তিনি তাঁর ৭ সদস্যের পরিবার নিয়ে অত্যন্ত মানবেতর ও অনিরাপদ পরিবেশে বসবাস করছেন। ঘরটি বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ায় পরিবারটি নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে।

এই ক্যাম্পেইন সম্পর্কে

কজন মসজিদের ইমাম হিসেবে সীমিত আয়ের কারণে নিজের সামর্থ্যে ঘরটি পুনর্নির্মাণ করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এই কঠিন সময়ে একটি নিরাপদ ঘর শুধু তাঁর পরিবারের মাথার ওপর ছাদই দেবে না, বরং তাদের জীবনে ফিরিয়ে আনবে নিরাপত্তা, স্বস্তি ও আশার আলো। আপনাদের সামান্য সহযোগিতাও বাঁশখালীর এই অসহায় পরিবারটির জন্য একটি নিরাপদ ঘর ও নতুন আশার সূচনা করতে পারে।
সাহায্য চালিয়ে যান

আরও যেসব ক্যাম্পেইনে পাশে দাঁড়াতে পারেন

সব ক্যাম্পেইন দেখুন
Rehabilitation (পুনর্বাসন)

আনোয়ার হাবিবের পরিবারের জন্য একটি নিরাপদ ঘর নির্মাণে সহায়তা করুন

আনোয়ার হাবিব, চট্টগ্রামের দৌলতপুর ইউনিয়নের একজন সংগ্রামী মানুষ, তার পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ভঙ্গুর ঘরের কারণে তার পরিবার ঝড়-বৃষ্টি থেকে সুরক্ষিত নয়। ঘর নির্মাণের জন্য ৫ বান টিন প্রয়োজন, যার খরচ ২৮,০০০ টাকা। আপনার সহায়তায় আনোয়ারের পরিবার পাবে নিরাপদ আশ্রয়।

লক্ষ্য ৳28,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার আন্তরিক সহযোগিতা একজন শিক্ষককে নতুন আশার আলো দেখাতে পারে

একজন শিক্ষককে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা করুন চট্টগ্রামের ৪৬ বছর বয়সী ইংরেজি শিক্ষক মুনতাসির তারিক বর্তমানে বেশ কিছু জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি হেপাটাইটিস সি, আর্লি ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, পোর্টাল হাইপারটেনসিভ গ্যাস্ট্রোপ্যাথি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং পিত্তথলিতে একাধিক পাথরে আক্রান্ত।

লক্ষ্য ৳200,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার একটু সহায়তায় হয়তো আবারও সন্তানের কাছে ফিরে আসবেন একজন মা

৪৯ বছর বয়সী নাজমা বেগম দীর্ঘ দুই বছর ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। হঠাৎ তাঁর পেটে ও পায়ে পানি জমতে শুরু করলে পরিবার তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে আসছে পরিবার এছাড়াও, তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাঁর দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি

লক্ষ্য ৳120,000

প্রথম দাতা হোন

দান করুন