একজন মুমূর্ষু রোগীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন

Treatment (চিকিৎসা)যাচাই ও অনুমোদিতশুরু ১৩ নভে, ২০২৪ক্যাম্পেইন আইডি CT-100006
  • যাচাই ও অনুমোদিত

    প্রকাশের আগে helpNhelper টিম যাচাই করেছে

  • প্রতিটি টাকার হিসাব

    প্রতিটি দান এই ক্যাম্পেইনের হিসাবে লিপিবদ্ধ হয়

  • নিরাপদ পেমেন্ট

    SSLCommerz-এর মাধ্যমে সম্পন্ন

আমি অত্যন্ত কষ্টের সাথে জানাচ্ছি, আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী, আমার বাবা, বর্তমানে গুরুতর শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন। প্রথমে বাবার পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলের ফাঁকে একটি ফোড়া হয় যা পরবর্তীতে ইনফেকশনে পরিণত হয় এবং আঙ্গুলে গর্তের সৃষ্টি হয়। ডাক্তাররা ছোট একটি অপারেশন করে ওষুধ দিলেও তাতে কোনো উন্নতি হয়নি। অপারেশনের পর ওষুধ চললেও বাবার ব্যথা কমছে না, বরং পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এই অবস্থায় একজন অর্থোপেডিক্স ডাক্তারের পরামর্শে আরও একটি অপারেশন করানো হয় এবং প্রতিদিন ড্রেসিং করানো হচ্ছে। এরপরও ব্যথা না কমায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি করাতে হয়েছে, কিন্তু এখনও বাবার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। আমার বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, এবং উনি একজন ডায়াবেটিস রোগী। ফুটপাতে বসে চটপটি বিক্রি করেই সংসার চালাতেন। দুই ছেলে এবং এক মেয়ের লেখাপড়ার খরচ এবং মায়ের যত্ন নেওয়ার জন্যও তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আমার বড় ভাই ক্লাস টেনে এবং ছোট ভাই ক্লাস এইটে পড়ে, এবং আমার বোন নার্সিং-এ বিএসসি করছে। বাবার অসুস্থতার কারণে এখন আমাদের সব কার্যক্রম বন্ধ। বর্তমানে আমরা দুই ভাই বাবার ব্যবসার দায়িত্ব নিয়েছি, কিন্তু সেই আয় সংসারের খরচ চালানোর জন্য যথেষ্ট নয়। বাবার চিকিৎসার জন্য আমাদের গ্রামীন জমি ও যা কিছু ছিল সব বিক্রি করতে হয়েছে। এখন আমরা প্রচণ্ড ঋণের বোঝা বহন করছি। বাবা যাতে সঠিক চিকিৎসা পেয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন, সেই জন্য আমরা ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। আপনাদের আর্থিক সহায়তায় একটি অসহায় পরিবার আবার সুস্থতার পথে ফিরে যেতে পারবে এবং একটি পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। আপনারা যে কোন সহযোগিতা প্রদান করলে আমরা চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদান্তে, একটি অসহায় পরিবার

এই ক্যাম্পেইন সম্পর্কে

আমি অত্যন্ত কষ্টের সাথে জানাচ্ছি, আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী, আমার বাবা, বর্তমানে গুরুতর শারীরিক সমস্যার সম্মুখীন। প্রথমে বাবার পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলের ফাঁকে একটি ফোড়া হয় যা পরবর্তীতে ইনফেকশনে পরিণত হয় এবং আঙ্গুলে গর্তের সৃষ্টি হয়। ডাক্তাররা ছোট একটি অপারেশন করে ওষুধ দিলেও তাতে কোনো উন্নতি হয়নি। অপারেশনের পর ওষুধ চললেও বাবার ব্যথা কমছে না, বরং পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। এই অবস্থায় একজন অর্থোপেডিক্স ডাক্তারের পরামর্শে আরও একটি অপারেশন করানো হয় এবং প্রতিদিন ড্রেসিং করানো হচ্ছে। এরপরও ব্যথা না কমায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি করাতে হয়েছে, কিন্তু এখনও বাবার অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। আমার বাবা একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, এবং উনি একজন ডায়াবেটিস রোগী। ফুটপাতে বসে চটপটি বিক্রি করেই সংসার চালাতেন। দুই ছেলে এবং এক মেয়ের লেখাপড়ার খরচ এবং মায়ের যত্ন নেওয়ার জন্যও তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। আমার বড় ভাই ক্লাস টেনে এবং ছোট ভাই ক্লাস এইটে পড়ে, এবং আমার বোন নার্সিং-এ বিএসসি করছে। বাবার অসুস্থতার কারণে এখন আমাদের সব কার্যক্রম বন্ধ। বর্তমানে আমরা দুই ভাই বাবার ব্যবসার দায়িত্ব নিয়েছি, কিন্তু সেই আয় সংসারের খরচ চালানোর জন্য যথেষ্ট নয়। বাবার চিকিৎসার জন্য আমাদের গ্রামীন জমি ও যা কিছু ছিল সব বিক্রি করতে হয়েছে। এখন আমরা প্রচণ্ড ঋণের বোঝা বহন করছি। বাবা যাতে সঠিক চিকিৎসা পেয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন, সেই জন্য আমরা ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। আপনাদের আর্থিক সহায়তায় একটি অসহায় পরিবার আবার সুস্থতার পথে ফিরে যেতে পারবে এবং একটি পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। আপনারা যে কোন সহযোগিতা প্রদান করলে আমরা চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। ধন্যবাদান্তে, একটি অসহায় পরিবার
সাহায্য চালিয়ে যান

আরও যেসব ক্যাম্পেইনে পাশে দাঁড়াতে পারেন

সব ক্যাম্পেইন দেখুন
Treatment (চিকিৎসা)

একজন অসহায় স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত বোনের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসুন!

৩১ বছর বয়সী হাসিনা স্তন ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ছেন, কিন্তু চিকিৎসার খরচ আর চালাতে পারছেন না। তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে ২,০০,০০০ টাকা তুলতে আমাদের সাথে যোগ দিন।

৳55,160

28%
লক্ষ্য ৳200,000163
দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার আন্তরিক সহযোগিতা একজন শিক্ষককে নতুন আশার আলো দেখাতে পারে

একজন শিক্ষককে জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে সহায়তা করুন চট্টগ্রামের ৪৬ বছর বয়সী ইংরেজি শিক্ষক মুনতাসির তারিক বর্তমানে বেশ কিছু জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি হেপাটাইটিস সি, আর্লি ইসোফেজিয়াল ভ্যারিসেস, পোর্টাল হাইপারটেনসিভ গ্যাস্ট্রোপ্যাথি, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস এবং পিত্তথলিতে একাধিক পাথরে আক্রান্ত।

৳700

<1%
লক্ষ্য ৳200,0002
দান করুন
Treatment (চিকিৎসা)

আপনার একটু সহায়তায় হয়তো আবারও সন্তানের কাছে ফিরে আসবেন একজন মা

৪৯ বছর বয়সী নাজমা বেগম দীর্ঘ দুই বছর ধরে লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। হঠাৎ তাঁর পেটে ও পায়ে পানি জমতে শুরু করলে পরিবার তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে তাঁর লিভার সিরোসিস ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা চালিয়ে আসছে পরিবার এছাড়াও, তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে এবং তাঁর দ্রুত অপারেশন করানো অত্যন্ত জরুরি

৳1,000

1%
লক্ষ্য ৳120,0002
দান করুন